কয়েকটি ভেসজের গুনাগুনঃ

গুনাগুন সম্পর্কে

১ ) আদাঃ

আদা বহুবর্ষজীবি উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Zingiber officinale। আদা সাধারণত মসলা ও পানীয় হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ৫০০০ বছর পূর্ব থেকে আদা ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আদায় ঔষধ হিসেবে প্রায় ৫০ ধরনের এন্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান।
আদা থেকে ঔষধি গুণ পেতে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ গ্রাম কাঁচা আদা চিবিয়ে বা ছেঁচে খেতে হবে। চিবিয়ে পানি দিয়ে গিলে খাওয়া যায় আবার ভাতের সাথে মিশিয়েও চিবিয়ে খাওয়া যায়। পানি : ৭৫ গ্রাম, শক্তি : ৮০ কি. ক্যালরি, প্রোটিন: ১.৮২ গ্রাম, ফ্যাট : ০.৭৫ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট : ১৭.৭৭ গ্রাম, আঁশ : ২.০০ গ্রাম, চিনি: ১.৭০ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৬.০০ মিলিগ্রাম, আয়রন : ০.৬০ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম : ৪৩.০০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস: ৩৪.০০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম : ৪১৫.০০ মিলি গ্রাম, সোডিয়াম : ১৩.০০ মিলিগ্রাম, জিংক : ০.৩৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি : ৫.০০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি৬: ০.১৬ মিলিগ্রাম প্রতিদিন নিয়মিত কমপক্ষে ১৫ গ্রাম কাঁচা আদা খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায় যার কিছু হলো-

  • আদায় ‘জিনজেরল’ নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ আছে যা অ্যাসপিরিনের মত কাজ করে, ফলে হার্ট এ্যাটাক প্রতিরোধ হয়।
  • হার্টে ব্লক হতে দেয় না। *. মেজাজ ভাল রাখে যা দুশ্চিন্তা কমায়।
  • রক্ত পরিস্কার করে। * রক্ত পাতলা করে তাতে রক্ত চলাচল সহজ হয়।
  • ব্ল্যাড পেসার / হাইপারটেনশন কমায় ।
  • রক্তের কোলেস্টেরল কমায়। * লিভারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে ।
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে। * কিডনি ভাল রাখে ।
  • প্রস্টেট ক্যান্সার, মলদ্বারের ক্যান্সার, ফুসফুস ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার, ব্রেস্ট ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধ করে।
  • এন্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে যা ডায়ারিয়া সারায়।
  • সেক্স বাড়ায়। * শিরা ও পেশী যদি বায়ু বৃদ্ধির কারণে ফুলে ওঠে তা কমিয়ে দেয়।
  • পেপটিক আলসার ভাল করে। * বমির ভাব দুর করে, এমন কি গর্ভবর্তী মহিলাদেরও।
  • জ্বর ও ঠান্ডা লাগা রোগে উপকারী। * আদা চা হুপিং কাশি ভাল করে।
  • মুখ ভাল রাখে ও হজমে সহায়তা করে। * মাসিকের ব্যথা ভাল করে ও নিয়মিত মাসিক নিশ্চিত করে।
  • জয়েন্টের ব্যথা, বাত ব্যথা, মাথা ব্যথা (মাইগ্রেন) ও গলা ব্যথা দূর করে।

ডা: মাও: লোকমান হেকিম

২) পুদিনা পাতার গুনাগুন ও উপকারিতাঃ

মস্তিষ্কের জন্যে অত্যন্ত উপকারী ও পুদিনা পাতার গুণাগুণ
পুদিনা পাতা
উদ্ভিদের নাম : পুদিনা Pudina
স্থানীয় নাম : পুদিনা
ভেষজ নাম : spearmint
স্থানীয় নাম : Mint, nana।
প্রজাতি: M. spicata
ব্যবহার্য অংশ : মূল পাতা কান্ড সহ সমগ্র গাছ
সিলেক্টেড পরিবেশন% ডিভি প্রতি পরিমাণ
ভিটামিন
ভিটামিন A127IU3%
ভিটামিন C1.0mg2%
ভিটামিন ডি ~ ~
ভিটামিন ই (আলফা Tocopherol) ~
ভিটামিন কে ~ ~
Thiamin0.0mg0%
Riboflavin0.0mg0%
Niacin0.1mg0%
ভিটামিন B60.0mg0%
Folate3.4mcg1%
ভিটামিন B120.0mcg0%
প্যানটোথেনিক Acid0.0mg0%
choline ~
betaine ~ খনিজ পদার্থ
Calcium7.3mg1%
Iron0.2mg1%
Magnesium2.4mg1%
Phosphorus2.2mg0%
Potassium17.1mg0%
Sodium0.9mg0%
Zinc0.0mg0%
Copper0.0mg0%
Manganese0.0mg2%
সেলেনিয়াম ~ ~
ফ্লোরাইড ~

রোপনের সময় :

বছরের যে কোনো সময়ে রোপন করা যায়।
আবাদী/অনাবাদী/বনজ : আবাদি আনাবাদি ও বনজ সব ধরনের হয়ে থাকে। ভিজা পরিবেশে এবং আর্দ্র মাটি সবচেয়ে ভালো জন্মে. কান্ড সহ গাছটি ১০ থেকে ১২০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়।


চাষ:

ডাল ভেজা বা আদ্র মাটি পুতে রাখলেই এ গাছ জন্মে।
পরিচিতি: ছোট গুল্ম জাতীয় গাছ। বহু বর্ষজীবী পাতা ডিম্বাকৃতি, সুগন্ধী যুক্ত। সবুজ।
পুদিনা পাতা প্রাচীনকাল থেকেই বেশ জনপ্রিয় ওষুধ হিসেবে পরিচিত। বহু রোগের আরোগ্যে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। পুদিনা পাতা এক ধরনের সুগন্ধি গাছ। এই গাছের পাতা তরি-তরকারির সঙ্গে সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিশ্বের অনেক দেশেই পুদিনার গাছ জন্মে। পুদিনা পাতায় ৪০-৯০% মেনথল তেল পাওয়া যায়। যা বিভিন্ন পারফিউম, টুথ পেষ্ট, স্যম্পু ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়।
পুদিনা পাতায় আছে ভিটামিন এ ও ভিটামিন ডি। তাই এই পাতা আমাদের ত্বকের জন্য দারুন উপকারী। সানট্যানের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পুদিনা পাতা বেটে লাগালে উপকার পাওয়া যায়
আমাদের পৃথিবীতে এমন অনেকধরনের উদ্ভিদ আছে যেগুলোতে প্রচুর ওষুধী গুন রয়েছে। পুদিনা পাতা তার মাঝে একটি। এর মূল, পাতা, কান্ড সহ সমগ্র গাছই ওষুধীগুনে পরিপূর্ণ। ছোট গুল্ম জাতীয় এই গাছের পাতা ডিম্বাকৃতির ও সুগন্ধীযুক্ত হয়। আজ আমরা এর ওষুধী গুনাগুনসম্পর্কে জানবো।

  • অসুখে ভগার পর অথবা কোষ্ঠকাঠিন্য অবস্থায় মানুষের অনেকসময় মুখের রুচি নষ্ট হয়ে যায়। এসময়, পুদিনার রস ২ চা চামচ, সামান্য লবন, কাগজী লেবুর রস ৮/১০ ফোঁটা, হালকা গরম পানির সাথে মিশিয়ে সকাল বিকালে দিনে দুই বার টানা ৫/৭ দিন খেলে অরুচি চলে যায়।
  • সুস্থ হার্টের জন্য পুদিনা পাতা অনেক উপকারী। এটি রক্তে কলেস্টরেল জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে হার্ট থাকে সুস্থ।
  • পুদিনা পাতা এক্সপেক্টোরেন্টের মত কাজ করে। ঠাণ্ডায় গলায় কফ জমে গেলে, গরম পানিতে সামান্য পরিমাণ পুদিনা পাতা সেদ্ধ করে সেই পানি পান করলে কফ সহজেই বেরিয়ে আসে।
  • যেকোনো কারনে পেটে গ্যাস জমে গেলে পুদিনা পাতা কার্যকরী ভুমিকা পালন করে। পুদিনার রস ২ চা চামচ, সামান্য লবন, কাগজী লেবুর রস ৮/১০ ফোঁটা, হালকা গরম পানির সাথে মিশিয়ে সারাদিন ২-৩ বার খেলে পেটে গ্যাস ভাব কমে আসে।
  • পিত্তে শ্লেষ্মার জ্বর, অম্লপিত্ত, আমাশা, অজীর্ণ, উদরশূল, প্রভৃতির কারনে অনেকসময় আমাদের বমি বমি ভাব আসে। এসময় পুদিনার শরবতের সাথে এক চা চামুচ তেঁতুল মাড় ও চিনি মিশিয়ে খেলে বমিভাদ দূর হয়ে যায়।
  • পুদিনা পাতার রস উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পুদিনা পাতার রস খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে।
  • মেয়েদের অনিয়মিত পিরিয়ডের যন্ত্রণা থেকে সেরে ওঠার জন্য পুদিনা পাতা বেশ উপকারী।
  • পুদিনা পাতা পুড়িয়ে ছাই করে দাঁতের মাজন হিসাবে ব্যবহার করলে দাঁতের মাড়ি শক্ত ও মজবুত হয়। মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেলে।
  • পুদিনা ত্বককে শীতল করে। খাবারের সঙ্গে নিয়মিত খেলে শরীরের ত্বক সতেজ হয়, সজীব ভাব বজায় থাকে। মৃত কোষকে দূর করে মৃসণ করে তোলে ত্বক। সেজন্য, আধা কাপ পুদিনা পাতা বাটা ও পরিমিত বেসন দিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে নিলে, উপকার পাওয়া যায়।
    তথ্য ও সূত্র :- সূত্র – ফুড ও নিউটেশন ওয়েব সাইড ।

৩) তুলসী পাতার যত জাদুকরি গুণ


কালের কণ্ঠ অনলাইন ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ০৯:৪১

ব্রিটিশরা যখন ভারতে পা রাখে তখন মশার অত্যাচার থেকে বাঁচতে তুলসীর শরণাপন্ন হয়। তারা বাংলোর চারদিকে তুলসী ও নিমের গাছ লাগিয়ে নিল। ব্রিটিশদের বিস্ময়ে পরিণত হয় তুলসী গাছ। তারা একে বলত মসকিউটো প্লান্ট। তুলসীতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাংগাল উপাদান রয়েছে। এগুলো রক্ত পরিশুদ্ধ করে। বিপাকক্রিয়ার সুষ্ঠুতায় এর ভূমিকা চমকপ্রদ। এ গাছের ফাইটোকেমিক্যাল বয়সের কারণে দেহের ক্ষয় নিরাময় করে। এমনকি দেহে ইনসুলিন উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে রক্তে চিনির পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এই জাদুকরী গাছের অন্যান্য কিছু গুণ : ১. পানিতে তুলসী পাতার সঙ্গে এলাচ ফুটিয়ে পান করলে নিমিষেই জ্বর চলে যায়। ২. মানবদেহের যেকোনো ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধে তুলসীর পাতা অনন্য। এতে রয়েছে জীবাণুনাশক ও সংক্রমণ শক্তিনাশক উপাদান। ৩. ব্রংকাইটিস, অ্যাজমা, ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং ঠাণ্ডা-সর্দিতে তুলসী পাতার সঙ্গে মধু ও আদার মিশ্রণ দারুণ কাজ করে। ৪. খালি পেটে তুলসীর পাতা খেলে কিডনির পাথর দূর হয়। বহুকাল ধরে কিডনির পাথর দূরীকরণে এ চিকিৎসা নেওয়া হয়। ৫. তুলসীর পাতায় তৈরি হালকা গরম জুস পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময় করে। ৬. মুখের দুর্গন্ধ, দাঁতের ক্ষয়সহ অন্যান্য দন্ত চিকিৎসায় তুলসী অতুলনীয়। পুঁজযুক্ত স্রাবের চিকিৎসায়ও তুলসী ব্যবহৃত হয়। ৭. রাতকানা রোগ সারাতে প্রাচীনকাল থেকে তুলসীর ব্যবহার প্রচলিত। ৮. দেহ থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করে তুলসী। বহু বিশেষজ্ঞের দাবি, ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও তুলসী ভালো ফল দিতে পারে। দুটি রেসিপি বিভিন্নভাবে খাদ্য তালিকায় তুলসীর ব্যবহার করতে পারেন। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি রেসিপি : ১. তুলসীর চা আধা চামচ আদা কুচি, ১২-১৫টি তুলসী পাতা এবং এক চামচের চার ভাগের এক ভাগ এলাচ গুঁড়ো তিন কাপ পানিতে ১০ মিনিট ধরে ফুটিয়ে নিন। সামান্য মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে উপভোগ করুন তুলসীর চা। ২. তুলসীর সালাদ এক কাপ শসা কুচি, ১২-১৫টি তুলসী পাতা, ৫০ গ্রাম টুকরা পনির, একটি লেবুর রস, এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, সামান্য লবণ এবং স্বাদের জন্য মরিচ। সব উপকরণ মিশিয়ে উপভোগ করুন তুলসীর সালাদ। –টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার

৪) বাসক:

ভেষজ উদ্ভিদ ‘বাসক’ এর বৈজ্ঞানিক নাম আডাটোডা বাসিকা। নানা ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ এই বাসক পাতা। শুকনো অথবা তাজা বাসক পাতা, মূল, ফুল, ফল সবই ওষুধ হিসেবে কাজে লাগে। বাসকে ‘ভাসিসিন’ নামক ক্ষারীয় পদার্থ এবং তেল থাকে। সর্দি, কাশি এবং জ্বর নিরাময়ে বাসক পাতার নির্যাস বিশেষ উপকারী।

বাসক পাতায় এমন কিছু ক্ষারীয় পদার্থ আছে যার ফলে ছত্রাক জন্মায় না এবং পোকামাকড় ধরে না বলে ফল প্যাকিং ও সংরক্ষণের কাজে বাসক পাতা ব্যবহূত হয়।

বাসক পাতার উপকারিতা :

বাসক পাতার রস ১-২ চামচ হাফ থেকে এক চামচ মধু-সহ খেলে শিশুর সদির্কাশি উপকার পাওয়া যায়।

বাসক পাতার রস স্নানের আধ ঘণ্টা আগে মাথায় কয়েক দিন মাখলে উকুন মরে যায়। আমবাত ও ব্রণশোথে (ফোঁড়ার প্রাথমিক অবস্থা) বাসক পাতা বেঁটে প্রলেপ দিলে ফোলা ও ব্যথা কমে যায়।

যদি বুকে কফ জমে থাকে এবং তার জন্য শ্বাসকষ্ট হয় বা কাশি হয় তা হলে বাসক পাতার রস ১-২ চামচ এবং কন্টিকারী রস ১-২ চামচ, ১ চামচ মধুসহ খেলে কফ সহজে বেরিয়ে আসে।

প্রস্রাবে জ্বালা-যন্ত্রণা থাকলে বাসকের ফুল বেঁটে ২-৩ চামচ ও মিছরি ১-২ চামচ সরবত করে খেলে এই রোগে উপকার পাওয়া যায়।

জ্বর হলে বা অল্প জ্বর থাকলে বাসকের মূল ৫-১০ গ্রাম ধুয়ে থেঁতো করে ১০০ মিলিলিটার জলে ফোটাতে হবে।

২৫ মিলিলিটার থাকতে নামিয়ে তা ছেঁকে নিয়ে দিনে ২ বার করে খেলে জ্বর এবং কাশি দুই-ই চলে যায়।

বাসকের কচি পাতা ১০-১২টি ও এক টুকরো হলুদ এক সঙ্গে বেঁটে দাদ বা চুলকানিতে লাগালে কয়েক দিনের মধ্যে তা সেরে যায়।

বাসক পাতা বা ফুলের রস ১-২ চামচ মধু বা চিনি ১ চামচ-সহ প্রতি দিন খেলে জন্ডিস রেগে উপকার পাওয়া যায়।

পাইরিয়া বা দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়লে বাসক পাতা ২০টি থেঁতো করে ২ কাপ জলে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ঈষদুষ্ণ অবস্থায় কুলকুচি করলে এই রোগে উপকার পাওয়া যায়।

যাঁদের হাঁপানির টান আছে তাঁরা বাসক পাতা শুকনো করে, ওই পাতা বিড়ি বা চুরুটের মতো পাকিয়ে, তার সাহায্যে ধূমপান করলে শ্বাসকষ্ট প্রশমিত হয়।

যাঁদের গায়ে ঘামের গন্ধ হয় তাঁরা বাসক পাতার রস গায়ে লাগালে দুর্গন্ধ দূর হবে।

বাসক পাতার রস ও শঙ্খচূর্ণ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করলে রঙ ফরসা হবে।

এক কলসি জলে তিন-চারটি বাসক পাতা ফেলে তিন-চার ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখার পর সেই জল বিশুদ্ধ হয়ে যায়। এর পর ব্যবহার করতে পারেন।

পাতার রস নিয়মিত খেলে খিঁচুনি রোগ দূর হয়ে যায়। সূত্র: আজকের কৃষি ডটকম।

নিউজজি/ এসআই

adminsashthokotha

Back to top