গ্যস্ট্রিকের সমস্যায় হিজামা:

ডাক্তারের প্রেস্ক্রিপশন এর বাইরে আমরা নিজেরা যখন তখন কিনে খাই এমন ওষুধ এর তালিকায় প্রথম সারিতে আছে Proton pump inhibitor (PPI)।

আমরা ‘গ্যাসের ওষুধ’ হিসেবে এদেরকে বিভিন্ন নামে চিনি ।

‘ওষুধ খেলে তো ভালই থাকি’ – এই চিন্তা করে আমরা অনেকেই বছর এর পর বছর এসব ওষুধ খেয়ে চলেছি! কিন্তু আমরা কয়জন আদৌ এই কাজটির ভয়াবহতা নিয়ে ভাবছি বা তা ঘেঁটে দেখছি?

বিভিন্ন রিসার্চগুলো ঘাঁটলে দেখা যায় – অনিয়ন্ত্রিতভাবে একটানা এসব ওষুধ এর ব্যবহারে যা যা হতে পারে সেই তালিকাটা বেশ লম্বা! যেমন-

১) ইনফেকশন এর ঝুঁকিঃ

আমাদের অজান্তে অন্ত্রের বিভিন ইনফেকশন এর ঝুঁকি বাড়ে। যার মধ্যে অন্যতম হল Clostridium difficile infection।এমনকি চেস্ট ইনফেকশন ও হতে পারে (যেমন – Pneumonia)

২) বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেল এর শোষণ ব্যাহত হয়ঃ

বিশেষ করে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। যা হাড়ক্ষয় এবং হাড়ের ফ্র্যাকচার এর জন্যে দায়ী হতে পারে।

৩) অন্যান্য বিভিন্ন ওষুধের সাথে Drug interaction এর ঝুঁকি বাড়েঃ

এই যেমন ধরুন হার্টের সমস্যায় বহুল প্রচলিত Clopidogrel! তাই ২০০৯ সাল থেকে FDA কিন্তু ওমেপ্রাজল এর সাথে এই ওষুধটির ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলছে।)

৪) গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার এর হার বাড়েঃ

গ্যাস্ট্রিক পলিপ এবং Carcinoid এর ঝুঁকি বাড়ে কয়েকগুণ।

৫) Dementia (স্মৃতিলোপ পেতে থাকা)ঃ

বিভিন্ন প্রাণীর উপর গবেষণা থেকে এই হাইপোথিসিস এ পৌঁছানো গিয়েছে যে, দীর্ঘদিন PPI ব্যবহারের কারনে Animal brain এ Beta Amyloid protein এর পরিমাণ বাড়ে। মিলিয়ে দেখলে বোঝা যায় যে, Alzheimer’s Disease এর pathogenesis এর সাথেও এই amyloid protein টি জড়িত। তাই একইভাবে এটি মানুষের ক্ষেত্রেও Dementia এর কারন হতে পারে!

৬) কিডনীর সমস্যাঃ

Acute Interstitial Nephritis এর ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ার একটি কারণ হিসেবেও দীর্ঘদিন PPI এর ব্যবহারকে চিহ্নিত করা হয়।

পরিত্রাণেনে উপায়ঃ

আমরা হিজামা কে এই সমস্যার একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে বিবেচনা করি

এসিডিটির সমস্যায় ভুগছেন এমন অনেকেই হিজামা থেকে কীভাবে উপকার পেতে পারেন সেটা জানতে চান।

নাইট্রিক অক্সাইড Gut function( আন্ত্রিক কার্যাদি) উন্নত করার ক্ষেত্রে খুব ভাল ভূমিকা রাখে। আর হিজামা যেহেতু সেই নাইট্রিক অক্সাইড এর ন্যাচারাল বুস্টার হিসেবে পরিচিত তাই বলার অবকাশ রাখেনা হিজামা থেকে এজন্যেই মূলত রোগীরা উপকৃত হচ্ছেন।

যারা আর এভাবে ওষুধ খাবেন না বলে ভাবছেন প্রফেটিক মেডিসিন হিসেবেই হিজামা থেরাপি দিয়ে চেষ্টা করে দেখুন। আশা করি ভাল থাকবেন।
Ritten by,
Tanjimul tuhin

adminsashthokotha

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top