ত্রিশের পরে যে খাবার এড়িয়ে যাবেন

ত্রিশের পরে এড়িয়ে যান কিছু খাবারঃ
ত্রিশ বছর জীবনের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ সময়। একে জীবনের একটি বাঁকও বলা যায় । যৌবনের মাঝামাঝি এ সময়টাতে শরীর ও মনের বিভিন্ন পরিবর্তন দেখা যায়। পরবর্তী সময়ে সুস্থ থাকতে হলে এই সময়টাতে শরীরের বাড়তি যত্ন নেওয়া অপরিহার্য। পাশাপাশি প্রয়োজন নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন। কিছু খাবার রয়েছে যা ত্রিশের পর এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আসুন জেনে নেই সেগুলো।

১) মদ্যপানঃ

মদ্যপান যদিও সব সময়ই শরীরের জন্য ক্ষতিকর তবুও বয়স ত্রিশের পর শরীরের আরও বেশি ক্ষতি সাধন করতে পারে। কেননা অ্যালকোহলের মধ্যে থাকে অধিক ক্যালারি যা ত্রিশের পর শরীরের এই বাড়তি ক্যালারি ঝাড়াতে কষ্ট হয়। অ্যালকোহল ইনসুলিনের মাত্রাকেও বাড়িয়ে দেয়। যা দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এছাড়াও অতিরিক্ত মদ্যপান কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়ার ইচ্ছে বাড়িয়ে দেয়। এতে ওজন বেড়ে যায়। তাই বয়স ত্রিশের পর মদ্যপান থেকে বিরত থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

২)কৃত্রিম চিনিঃ

চিনিকে হোয়াইট পয়জন বা সাদা বিষও বলা হয়ে থাকে। অনেকেই এইটাকে বিষের চেয়ে ক্ষতিকারক বলে আখ্যা দেন। কৃত্রিম চিনি অতিরিক্ত খেলে ক্যানসার ও টাইপ -টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ত্রিশের পর এই সপ্তাহে খাবার যত লম খাওয়া যায় তত মজ্ঞল।

৩) অতিরিক্ত চা-কফিঃ

দুধ চিনি যুক্ত চা বা কফি পান ত্বকের লাবণ্যতা ও সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। চায়ে থাকে প্রচুর ক্যাফেইন আর দুধে থাকে ক্যাজেইন। এছাড়াও দুধ চা শরীরের পানিশূন্যতা বাড়িয়ে দেয়। এতে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে। আর ত্রিশের পর যেহেতু ত্বক ধীরে ধীরে বার্ধক্যের দিকে এগোতে থাকে। তাই ত্রিশের পর অতিরিক্ত চা-কফি পান না করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

৪)সাদা আঠাঃ

বয়স ত্রিশের পরে শরীরের দরকার ভাল কিছু। তাই এই সময় থেকে সাদা আঠার রুটি এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কেননা শরীর আঠাকে গ্লুকোজে রুপান্তর করে। আর গ্লুকোজ দ্রুত চর্বি জমায়। তবে লাল আঠার রুটি স্বাস্থ্যের জন্য ভাল বলে মতামত বিশেষজ্ঞদের।

৫) মুখ রোচক খাবার ঃ

বিভিন্ন মুখ রোচক খাবার যেমন, সিংগাড়া, চামুচা, তেলে ভাজা এসব খাবার শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কেননা বেশির দোকানেই পাম ওয়েল দ্বারা ভাজা হয় এইসব খাবার যা শরীরের চর্বি বাড়িয়ে দিতে মূখ্য ভূমিকা রাখে। তাই এইসব খাবার ত্রিশের পরে সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

adminsashthokotha

Back to top